ইভ্যালীর দেনার পরিমাণ ৪০৩.৮০ কোটি টাকা

টাইটেল দেখে যারা ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেলেন তাদেরকে বলছি,ঘটনা সত্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনার পরিমান ৪০৩.৮০ কোটি টাকা।

কিন্তু অবাক করা হলেও সত্য হচ্ছে তাদের চলতি সম্পদের পরিমান ৬৫.৬৭ কোটি টাকা। তাহলে বুঝতেই পারছেন, এই সীমিত সম্পদ দিয়ে কখনোই এই পরিমান দেনা শোধ করা সম্ভব নয়।

ইভ্যালি তাদের মার্চেন্ট সাথে সাথে গ্রাহক সবার থেকেই অগ্রিম টাকা নিয়ে ফেলেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪ মার্চ, ২০২১ পর্যন্ত পণ্যমূল্য বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২১৩.৯৪ কোটি টাকা নিয়ে পণ্য সরবরাহ করেনি ইভ্যালী। আবার একই কাজ করেছে মার্চেন্টদের সাথে। তাদের কাছে কোম্পানিটির বকেয়া ১৮৯.৮৫ কোটি টাকা।

এই হিসাবে দেখা যাচ্ছে ইভ্যালির চলতি সম্পদ দিয়ে এই ঘাটতির মাত্র ১৬.১৪% মেটানো সম্ভব। এতে করে ৩৩৮.৬২ কোটি টাকা অপরিশোধিত থেকেই যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষ্যমতে ইভ্যালি খুব শিঘ্রই অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে। ইভ্যালি খুবই সতর্কতার সাথে পূর্বের দায় পরিশোধ এবং লোকসান আড়াল করার জন্য বিভিন্ন আকর্ষণীয় অফারের মাধ্যমে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে তাদের নিকট হতে অর্থ সংগ্রহ করছে’- বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ইকমার্স কোম্পানিটির মোট গ্রাহক সংখ্যা ৪৪,৮৫,২৩৪ জন। এই গ্রাহক সংখ্যা নিয়েও ১ টাকা আয় করতে ইভ্যালির ব্যয় ৩.৫৭ টাকা।

তবে এভাবে চলতে থাকলে ইকমার্স খাতে গ্রাহকদের আস্থা হ্রাস পাবে এমনটাই মনে করছে সাধারন জনগন। তারা বলছে এই অসুস্থ প্রতিযোগিতা অচিরেই বন্ধ করা উচিত। নইলে দেশের ইকমার্স খাত অচিরেই হুমকির মুখে পড়বে।

Leave a Reply